Wednesday, 18 April 2018

পোথি পথিকরা - ৩


পোথি পথিকরা

প্রিয় পাঠক,
ফেসবুক আমার নোট লেখা ব্লক করেছে আমার দুটো প্রোফাইল আছে, দুটোতেই তাই স্টেটাসে এই লেখা চলবে স্টেটাসে বড় অক্ষরে লেখা যায়না, হাইলাইট করা যায়না, লেখার মাঝখানে ছবি দেওয়া যায়না পরের দিকে বেশি ছবি থাকলে সব একসঙ্গে নীচে দিতে হবে নোট লেখার আকর্ষণটাই চলে গেল যাই হোক, দিলাম তৃতীয় পর্ব

ভৌতিক ঘটনা দ্রৌপদী


নাঃ বীটিং অ্যারাউন্ড দা বুশ আর নয় কৌশিক রেগে গেছে কৌশিক মানে আমার ডাক্তারবন্ধু কৌশিক নয়, পাঠকবন্ধু সে আসলে চায় আমি মূল গল্পে ফিরি বেড়ানোর গল্প, পাখির গল্প, যা লিখে আসছি দীর্ঘদিন ধান ভানতে শিবের গীত কেন রে বাবা, শিবের জন্য আলাদা লেখা দাও না ঠিক আসলে আমি মাঝে মাঝে কেমনক্যারেড অ্যাওয়েহয়ে যাই বঙ্কিমবাবুর কমলাকান্তের মতো বলছিলাম এক কথা, তার থেকে এক প্রসঙ্গ থেকে অন্য প্রসঙ্গে চলে যাই রোগ সারার নয়, তবে খানিক দমিয়ে রাখা যেতে পারে

আবার কিছু কিছু মানুষের কাছে মূল গল্পের চেয়ে এইসব ডালপালাই বেশি আকর্ষণীয় তাঁদের কথাও ভাবতে হয় বৈকি আসলে প্রত্যেক মানুষের রুচি আলাদা সেই চিরকেলে উক্তিভিন্ন রুচির্হি লোকা তবে সকলের রুচিকে আবার কেটার করা যায়না কাল এক উদীয়মান সাহিত্যিক দেখলাম, আমার লেখাটায় একটাহাহাইমোজি মেরেছেন আমি চমৎকৃত হলাম এর আগে একবার হয়েছিল, তাই নিয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম স্ক্রীনশট সহ আমার একটা লেখায় যত রকম ইমোজি আছে সবকটা ছিল, লাইক, লাভ, হাহা, স্যাড, ওয়াও, অ্যাঙরি বোধহয় একটি গিনেস রেকর্ড একই লেখা কতরকম ইমোশন ইনভাইট করতে পারে
কিন্তু কাল সেহাহাইমোজি এল, তাতে আমি পপাত ধরণীতলে এমন লেখায়হাহাআসবে ভাবতেও ওভারটাইম লাগে আসলে মানুষের ইন্টেলেকচুয়াল প্লেন তৈরি হয় মূলত পরিবারের সংস্কৃতি, আনুষ্ঠানিক শিক্ষা তারপর সব চেয়ে বড় হলোসংসর্গ বাংলায় মুখে মুখে ঘুরত আগে, ‘সৎসঙ্গে স্বর্গবাস...’ইত্যাদি এখনকার চিন্তাধারা কোন প্লেন থেকে ধেয়ে আসে, তা বিচার করা বড়ই কঠিন কাজ তাই মূল গল্পেই ফিরব এবার কিন্তু কিছু ডালপালা থাকবেই, একেবারে নিষ্পত্র বৃক্ষ কার বা ভাল লাগে!

অবশেষে সে টেন এল এল মানে এখানকার কার শেড থেকেই এল নিশ্চয় শুনেছি কোনও ট্রেন শেডে ঢুকলে, তাকেতৈরিকরতে ন্যূনতম সাড়ে চার ঘন্টা সময় লাগে শোনা কথা, নিশ্চয়তাহীন তা ট্রেন ওদিক থেকে নিশ্চিতভাবে দেরিতেই এসেছে তা ছাড়াও ট্রেন চালাব বললেই হয়না এক এক রেলমন্ত্রীর আমলে কিস্যু না জেনে শুনে গাদাগাদা পপুলিস্ট ট্রেন ঘোষিত হয়েছে পরিকাঠামো ছাড়াই তারই দীর্ঘমেয়াদি ফলশ্রুতি এগুলো যাই হোক যে ট্রেন সকাল দেড়টায় ছাড়ার কথা, তা ছাড়ল এগার ঘন্টা দেরিতে আমাদের কিউবিকলটা ছিল একেবারে প্রথমে সীট নম্বর ৪৩ আর ৪৫ দুটোই লোয়ার বার্থ গিয়ে দেখি আর তিনজন বৃদ্ধ (মানে আমার মতই, শুধু শরীরের বয়স বেড়েছে, মনের নয়) সেখানে মজুত তাঁদের দুজনের সীট এখানেই দুটো আপার বার্থ, আর একজন একটু দূরে, কিন্তু গল্প করছেন এখানে তিনজনের বয়স (কথায় কথায় জেনেছি) যথাক্রমে ৭২, ৬৬ ৬২ তাই কৌশিকের জায়গায় তাঁদেরই লোয়ারের প্রায়রিটি কৌশিক মাইতি দেখতে বয়স্ক, কিন্তু আদপে ৫১ নিশ্চয়ই এঁরা পরে টিকিট কেটেছেন নতুবা আরএসি কনফার্মড

আমরা ঢুকতে কয়েক সেকেন্ডও হয়নি, কৌশিক মাইতি বললেন, আপনার ওপরে অসুবিধে? যাঁকে বললেন, তাঁর সঙ্গে ভাল করে আলাপই হয়নি, কখন যে বললেন অসুবিধে, তাও শুনিনি যাই হোক, তিনি বললেন, ওই আমার স্পাইনাল কর্ডে...আর দরকার ছিলনা, কৌশিক মাইতি তড়াক করে ওপরে আমি ব্যাপারটা বুঝলাম পরে আমার পুত্রের সঙ্গে বেশ কিছু বছর কোনও যোগাযোগ নেই, যদিও এক বাড়িতেই থাকি কোনও এক সময়ে সে আমার সঙ্গে ট্র্যাভেল করত আর সুযোগ পেলেই তড়াক করে ওপরের বার্থে চলে যেত সেখানে সে ঘুমোত রাত্রে ঘুমোত, সকালে ঘুমোত, দুপুরে ঘুমোত, বিকেলে ঘুমোত, তাকে তুলে খাওয়ানোটাই ছিল যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি কৌশিক মাইতিও তাই সেকারণেইতড়াক

যাই হোক আমি ওঁদের তিনজনের সঙ্গে আলাপ করলাম নীচে ছবি দিচ্ছি, বাঁ দিক থেকে, মানব ঘটক, সুধেন্দু রায় প্রণব রায়

একেবারে শুরুতেই জমে গেল আলাপ আমি বিভিন্ন সময়ে ট্রেনে জার্নি করে থাকি তা আপনারা অবগত আছেন বহু মানুষের সঙ্গে আলাপ হয়, কমবয়সি, বেশি বয়সি, নারী, পুরুষ, বাচ্চা, বুড়ো ফোন নম্বর আদান প্রদান হয়, ফেসবুকে অ্যাডিত হওয়া হয় দুচার জন মাঝে মাঝে যোগাযোগ করেননি তা নয় কিন্তু কয়েকমাস পরেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয় এঁদের সঙ্গে অন্য কেমিস্ট্রি হলো কী করে হলো কে জানে সবাই আমরা বুড়ো বুড়োদের মধ্যে এমন সখ্য হয় বলে আগে শুনিনি আমি গাঢ়ওয়ালে থাকতে থাকতেই মানব বাবুর ফোন এল ওঁরা অনেক বার ট্রাই করেছেন আসলে আমার দুটো ফোনের একটা টাওয়ার থাকছিলই না অন্যটাও ক্ষণিকের জন্য আসছিল আর যাচ্ছিল কিছুদিন পরেই প্রণব বাবুর ফোন এল আবার এই ফোনটাই ভৌতিক তাই সেটাই লিখি আগে

ভৌতিক ব্যাপার কাকে বলে? ভূত সম্পর্কিত হলে বলে কি? আমরা কমন পারল্যান্সে কিন্তু অন্য কিছুকে বোঝাই ধরা যাক কিছু তন্ন তন্ন করেও খুঁজে পাচ্ছিনা হঠাৎ দেখা গেল আমার সামনেই টেবিলের ওপরেই সেটি রয়েছে এটা একটা উদাহরণ, এমন আরও নানা রকমের হতে পারে এই ধরণের আনএক্সপ্লেনড কিছু হলেই আমরা বলে উঠি, ‘আরে! যে ভৌতিক ব্যাপার!’ আদৌ তার সঙ্গে ভূতের সম্পর্ক না থাকলেও বলি এটা একটা কথার কথা

এই প্রসঙ্গে, আমার বন্ধুবৃত্তে কয়েকজন মজার মানুষ আছেন আমি বেশ বিনোদন পাই তাঁদের থেকে আমার বাংলাদেশি বন্ধুরা একটা টার্ম ব্যবহার করেন, ‘ব্যাপক বিনুদন আমারবিনুদনঅ্যাডজেক্টিভটাই বেশি পছন্দ যদিও এটা আদপে নাউন যাই হোক আমার পাঠকরা জানেন আমি ভূত বিষয়ক লেখালিখি করি অনেকে সাহায্য চান আমি আমার সীমিত জ্ঞান নিয়ে আপ্রাণ চেষ্টা করি কয়েকটি কেস যে সল্ভড হয়েছে তাতে আমি অত্যন্ত তৃপ্তি পেয়েছি কাউকে সামান্য উপকারও যদি করা যায় তা যাই হোক এই বিনুদন দেওয়ার লোকজন যখন সরাসরি আমার লেখায় কমেন্ট করেন, আমি ওয়েলকাম করি একজন আছেন প্রায়ই কবির লড়াই হয় উইটি বা বুদ্ধিদ্বীপ্ত মন্তব্য হলে কাউন্টার করেও মজা কিন্তু একবার তিনি লিখেছিলেন, ‘আপনি এইসব আজেবাজে জিনিষ প্রচার করবেন না অতিকষ্টে নিজেকে সংবরণ করেছিলাম সেদিন যাই হোক তিনিও জানেন, আমিও জানি, কাউকে ব্লক করা সেকেন্ডের মধ্যে সম্পন্ন হয় যতক্ষণ ব্যাপারটাবিনুদনপর্য্যায়ে আছে, ‘আপনি থাকছেন স্যার কিন্তু আর কয়েকজন আড়ালে কী সববৈজ্ঞানিকচর্চা শুরু করেছিলেন তির্যক ভঙ্গীতে একজন ব্লকড আর একজনকে ক্ষমাঘেন্না করে থাকতে দিয়েছি, অন্তরে নয়, ওই পাশের পকেটে ব্যাপার হচ্ছে এখানে বিএসসি পাশও বৈজ্ঞানিক, টেকনোক্র্যাটও বৈজ্ঞানিক এ্টাই মুশকিল

যাই হোক, ঘটনাটা শুরুতে নয়, আমাদের ট্যুরের শেষ পর্য্যায়ে হয়েছিল কিন্তু লিখতে হবে এখনই এমনিতেও কিছু টেলিপ্যাথিক ঘটনা ঘটছে ওই তিনজন, তাঁরা তো বন্ধু এবং সহকর্মী তাঁদের মধ্যে একটা বন্ডিং তো থাকবেই কিন্তু এঁরা নাকি আমাকে নিয়ে খুব আলোচনা করেছেন কদিন, এমনই পছন্দ হয়েছে আমাকে, জানিনা কেন একজন তো বলেই বসলেনএত বেশি বলা হচ্ছে, উনি এবার হোঁচট খাবেন ঠিক সেই মুহূর্তেই সম্ভবত, আমি হোঁচট খেয়েওছিলাম কার্তিকস্বামীর পাহাড় থেকে দৌড়ে নামতে গিয়ে একটা গাছের শেকড়ে পা বেধে ছিটকে পড়তে পড়তেও সামলে নিলাম কী করে, সেটাওভৌতিক কিন্তু আসল ভৌতিক অন্যত্র প্রিয় পাঠক, বিনুদনদাতাগণ, ভূতসে ভূত নয়, আপনারা বিশ্রাম নিতে পারেন তবে আনএক্সপ্লেনড ডক্টর কৌশিক মাইতি সাক্ষী আছেন, যদি আদৌ ডাক্তারিটাবিজ্ঞানএর অঙ্গ হয়ে থাকে

ট্রেনের মধ্যে মানব ঘটক মশাইয়ের নম্বর আমি সেভ করেই নিয়েছিলাম উনিও নিয়েছিলেন আমার ঠিক সেই মুহূর্তে সুধেন্দুবাবু, যিনি একটু রিজার্ভড টাইপ, অন্য কী কাজ করছিলেন, সম্ভবত চা বানাচ্ছিলেন ইলেক্ট্রিক কেটলে আর প্রণববাবু কৌশিক মাইতির বড়দা, ঘুমিয়েই কাটিয়েছেন বেশি সময় পরে এক সময়ে এই দুজনের নম্বরও নিয়ে রাখব ভাবলাম কিন্তু তখন ফোনে চার্জ ছিলনা তাই একটা কাগজে লিখে নিলাম পুরোটাই কৌশিক মাইতির সামনে তখন সে ঘুমোচ্ছিলনা তখন প্রায় এসে গেছি সেই স্টেশনের কাছে, যেখানে ওঁরা নামবেন, সম্ভবত বেরিলি

আমাদের ট্যুরের শেষভাগে, আমরা তখন কনকচৌরিতে অচেনা নম্বর থেকে একটা ফোন এল গোটা ট্যুরেই প্রায় টাওয়ার ছিলনা এও এক ভৌতিক ব্যাপার, আমাদের তিনজনেরই ভোডাফোন কানেকশন, একজনের টাওয়ার আছে, নেটও আছে, একজনের টাওয়ার আছে, নেট নেই, আর একজনের টাওয়ার, নেট কিস্যু নেই নিশ্চয় অন্যদেরও হয় এমন, কোনও কারণ নির্ঘাত আছে যাই হোক ফোন এল

এই যে বাইরে ছিলাম, একে তো টাওয়ার অধিকাংশ সময়েই ছিলনা আবার যখন থাকছিল, বিচিত্র দু একখানা ফোন এসেছে, ধরলে এক ভদ্রমহিলা জিজ্ঞেস করেছেন এটা অমুক সেলসের অফিস নাকি, একজন বললেন ইলেকট্রিক সাপ্লাই নাকি, তাঁরা বাঙালিই তাই এই ফোনটা যখন এল, আমি খুব সারকাস্টিক উত্তর দিলাম-
ওদিকের গলা-
হ্যালো, কে বলছেন?
আপনি যাকে ফোন করলেন, সেই বলছে
না মানে আপনার নামটা যদি কাইন্ডলি বলেন
কী আশ্চর্য, আমি নাম বলব কেন, ফোন তো আপনি করলেন কাকে করলেন?
আসলে এই নম্বর থেকে একটা ফোন গেছিল, আমি প্রণব রায় বলছি
আরে!! প্রণববাবু! কিন্তু আমার নম্বর থেকে আপনার ফোনে কল যাবে কী করে? নম্বর তো আমার কাছে সেভ করা নেই!
তাইতো, ভারি আশ্চর্য! আপনার নম্বরও তো আমার কাছে ছিলনা নইলে কী আর জিজ্ঞেস করি!

এই ফোনটা এসেছে কৌশিক মাইতির সামনে আমি যে কাগজ কলমে ওঁদের নম্বর লিখে নিলাম, তাও কৌশিকের সামনেই আমরা ফেরার পথে ট্রেনে অনেক আলোচনা করলাম ব্যাপারটা নিয়ে কোনও সমাধান হয়নি
তা বিনুদনবাবু, বিচলিত হবেন না, যদি এই নিবন্ধ পড়তে থাকেন এটা আক্ষরিক অর্থেভৌতিককিছু নয়, জাস্ট আনএক্সপ্লেন্ড আর কী

কিছুতেই, অনেক রকম সম্ভাবনা হিসেব করেও কোনও হদিশ পাওয়া গেলনা প্রণববাবুর ফোনে ইনকামিং কলে আমার নম্বর উঠেছে সেটা ওঁর কাছে রেকর্ডেড ছিলনা বলেই চিনতে পারেননি কিন্তু আজব কথা, আমার ফোনে আউটগোইং কলে কোনও উল্লেখই নেই ওই নম্বরের ভৌতিক নয় তো বটেই, কিন্তু ব্যাখ্যার বাইরে

দ্রৌপদী


ছিপছিপে চেহারা, শক্তপোক্ত গড়ণ, শ্যামবর্ণা, মনোলোভা, পাঁচ স্বামীর মনোরঞ্জনে অনিচ্ছায় হলেও কর্তব্যের খাতিরে রত আসলে এই আমাদেরদ্রৌপদী’, নামটা প্রণববাবুর দেওয়া কৌশিক মাইতি বয়স হিসেবে সহদেব, অর্জুন নন দ্রৌপদী তাঁরই জিতে আনা(কিনে আনা প্রপার্টি) অবশ্য এখানেপ্রপার্টিবললে নারীরা ক্ষুণ্ণ হবেন কিন্তু জোভিয়ালি বলা, জাস্ট ফর ফান, কেউ আহত হবেন না ওটি হাতের সামনে(পড়ুন পায়ের সামনে) পেয়ে কেউই আর নিজের চটি বের করেননি দীর্ঘ যাত্রাপথে বার্থ থেকে নেমে টয়লেটেই যাওয়া হোক বা কোনও প্ল্যাটফর্মে, ওটিতেই পা গলিয়েছেন সবাই, পাঁচজনই চটির নাম দ্রৌপদী ইজ নট মিসোজিনিস্টিক ইমোশন কেউ মিসরীড করবেন না প্লীজ পাঁচজনে শেয়ার করেছি বলেই এই নাম

কাল আমরা পৌঁছে যাব হরিদ্বার একটা সাংঘাতিক ব্যাপার থেকে বেঁচে গেছি আমরা সেটা শুধু আমিই জানি, দলের অন্যরা জানেনা আমি জানাইওনি কাউকে কাল হবে সে সব

(চলবে)

পুনশ্চঃ সেই 'বিনুদন' আমার কালকের পোস্টেও এক বিনুদন মার্কা কমেন্ট করেছেন গিয়ে দেখতে পারেন মানুষ কত মূর্খ হয় তার প্রমাণ এরাই আবার 'বৈজ্ঞানিক'

4 comments:

  1. খুব ভালো দাদা। এই চলুক।♥♥♥♥

    ReplyDelete
  2. দারুন লাগছে ৷ ফেসবুকের থেকে এখানে পড়ে বেশি আরাম পাচ্ছি ৷ সুন্দর বড় বড় ও ছিপছিপে অক্ষর ৷

    ReplyDelete
  3. অসাধারণ দাদা, একটা ব্লগ দরকার ছিল। :)

    শান্তনু সোম

    ReplyDelete
  4. ফেসবুকে বড়ো লেখা দুচক্ষের বিষ বলে পড়া হয় না। এখানে বেশ আরাম করে পড়ছি।

    ReplyDelete

পোথি পথিকরা (The bird travellers) - ১৯

কিছু ছবি তাড়াহুড়োয় দেখানো হয়নি, এখন দেখিয়ে নিই। এ পাখিটি পাহাড়ে খুবই সহজলভ্য। কিছু কিছু জায়গায়, যেমন কুমায়ুনের ‘ধওলছিনা’য় চড়াইয়ের...